আমেরিকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্ভাব্য টর্নেডোর আঘাতে ডেট্রয়েটে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, চলছে পর্যালোচনা শুভ জন্মাষ্টমী আজ দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে তীব্র ঝড়,  বিদ্যুৎহীন প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার বৈচিত্র্যই সমাজের সৌন্দর্য, বিভেদ নয় : প্রধানমন্ত্রী ডেট্রয়েট বিমানবন্দরে প্রথমবার ধরা পড়ল বিদেশি ক্ষতিকর মথ সেন্ট ক্লেয়ার শোরসে গুলিতে আহত ব্যক্তি, গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন এ দেশে কোরআনের আইন কায়েম হবে : শফিকুর রহমান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা  সাউথফিল্ডে মাকে ছুরিকাঘাতের পর ছেলের আত্মহত্যা অবার্ন হিলসের মলে ছুরিকাঘাত, রেস্তোরাঁকর্মী আহত নবম বেতনস্কেল অনুমোদন, সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার  কানাডার পাল্টা শুল্কের ধাক্কায় মিশিগানের উৎপাদন খাত বাণিজ্যযুদ্ধের উত্তাপে বদলে যাচ্ছে  যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা ভ্রমণচিত্র এড শিরানের কনসার্ট শেষে  ফোর্ড ফিল্ডে দুর্ঘটনা, আহত ৬ ‘সংস্কৃতির ওপর মালিকানা দাবি  করতে পারেন না ট্রাম্প’ ডেট্রয়েটে মদের দোকানে গুলিবর্ষণে নারী নিহত, কিশোর অভিযুক্ত মামলার চাপে হ্যামট্রাম্যাক: সামনে  বহু-মিলিয়ন ডলারের আর্থিক ঝুঁকি ‘স্মৃতির পথে ৪৮ বছর’ সাংবাদিকতার  অনন্য দলিল -ভিসি ড. জহিরুল হক আকাশপথে অসুস্থ ক্যাপ্টেন, ডেট্রয়েটে নামল ডেল্টার ফ্লাইট ট্রয় হাসপাতালে ৪৪০ মিলিয়ন ডলারের সম্প্রসারণ প্রকল্প

বিভুরঞ্জন এর চলে যাওয়া এবং পচে যাওয়া সমাজের গল্প

  • আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৫ ০১:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৫ ০১:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন
বিভুরঞ্জন এর চলে যাওয়া এবং পচে যাওয়া সমাজের গল্প
প্রখ্যাত সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার নেই। তাঁকে কখনও সামনে থেকে দেখি নি, কিন্তু খবরের কাগজে তাঁর নাম দেখতে দেখতে বড় হয়েছি। অসাধারণভাবে লিখতেন তিনি। সাংবাদিকদের আইকন। আমি তাঁর লেখা পড়তে পড়তেই নিজেও লেখালিখির জগতে প্রবেশ করেছি, সাংবাদিকতার পথ ধরেছি। মনে হতো, তাঁর সাথে আমার আদর্শিক একাত্মতা আছে।
ঘুণে ধরা সমাজের চোখে আঙুল তুলে তিনি কলম চালাতেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই সমাজের প্রতিই অভিমান করে পানিতে ঝাঁপ দিলেন। তাঁর জীবনের শেষ লেখা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি আজ ইতিহাস হয়ে থাকবে।
ড. ইউনুস একসময় বলেছিলেন: আপনারা সত্য লিখুন। অথচ আজকের বাস্তবতা হলো কেউ আর সত্য লিখতে পারে না। আগের সরকারে অন্তত কিছুটা লিখবার সুযোগ ছিল, এখন অঘোষিতভাবে প্রেস নিয়ন্ত্রিত। 
শেখ হাসিনার আমলে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনেক সাংবাদিক ১০, ২০, এমনকি ৫০ লাখ টাকা চিকিৎসা সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু বিভুরঞ্জনের ভাগ্যে জোটেনি কিছুই। সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা আজ ওয়াশিংটনে মোটা বেতনের চাকরিতে, ইকবাল সোবহানদের হাতে বিপুল অর্থ, অথচ বিভুরঞ্জন সরকারের জীবন চলছিল না। বিভুরঞ্জন সরকার চেষ্টা করেছেন বারবার, কিন্তু সহযোগিতা পাননি।
আজকের মিডিয়া হাউসগুলো শিল্পপতিদের হাতে বন্দি। তারা সরকারের সাথে তাল মিলিয়ে চলে। সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আর খবরে আসে না। ৪২টি টেলিভিশন চ্যানেল আছে দেশে, কিন্তু কোনোটিই জনগণের পাশে দাঁড়ায় না। ছাপার কাগজগুলোও একই রকম। এক ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এসেছিল আরেক ফ্যাসিস্ট শাসন, আগের চেয়ে পাঁচ গুণ ভয়ঙ্কর।
আমার প্রিয় সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার আর নেই। মিডিয়া পাড়ায় আজ শোকের ছায়া। শত শত সাংবাদিক দেশ ছেড়ে পালাতে পেরেছেন, কিন্তু তিনি পারেননি। বয়স, অর্থকষ্ট আর সামাজিক বৈষম্যের কারণে জীবনের শেষপ্রান্তে এসে তিনি খুঁজে নিলেন চিরশান্তির আশ্রয়।
একসময় আমরা শুনতাম, সাগর-রুনিকে সরকার হত্যা করেছে। পরে অপপ্রচার চালিয়ে বলা হলো, তাদের মৃত্যু নাকি ব্যক্তিগত জীবনের কারণে। বছর ঘুরে বছর গেছে, সত্য আড়ালেই রয়ে গেছে। অথচ তাদের মেয়েকে গতকাল সরকার প্লট দিয়েছে, সব হিসাবই গোলমেলে। এদিকে, মনির হায়দারের মতো সেকেন্ড-গ্রেড সাংবাদিক হয়ে গেছেন সিনিয়র সচিব, কেউ বা রাষ্ট্রদূত। দালালদের জয়জয়কার এই অপয়া সমাজে।
আর বিভুরঞ্জন সরকার? তিনি চূড়ান্ত অপমান, দুঃখ আর অভিমানের কাছে হার মানলেন। পানির নিচেই হয়তো পেলেন সেই শান্তি, যা মাটির পৃথিবী তাঁকে দিতে পারেনি।বিভুরঞ্জন এর চলে যাওয়া এবং পচে যাওয়া সমাজের গল্প
প্রখ্যাত সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার নেই। তাঁকে কখনও সামনে থেকে দেখি নি, কিন্তু খবরের কাগজে তাঁর নাম দেখতে দেখতে বড় হয়েছি। অসাধারণভাবে লিখতেন তিনি। সাংবাদিকদের আইকন। আমি তাঁর লেখা পড়তে পড়তেই নিজেও লেখালিখির জগতে প্রবেশ করেছি, সাংবাদিকতার পথ ধরেছি। মনে হতো, তাঁর সাথে আমার আদর্শিক একাত্মতা আছে।
ঘুণে ধরা সমাজের চোখে আঙুল তুলে তিনি কলম চালাতেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই সমাজের প্রতিই অভিমান করে পানিতে ঝাঁপ দিলেন। তাঁর জীবনের শেষ লেখা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি আজ ইতিহাস হয়ে থাকবে।
ড. ইউনুস একসময় বলেছিলেন: আপনারা সত্য লিখুন। অথচ আজকের বাস্তবতা হলো কেউ আর সত্য লিখতে পারে না। আগের সরকারে অন্তত কিছুটা লিখবার সুযোগ ছিল, এখন অঘোষিতভাবে প্রেস নিয়ন্ত্রিত। 
শেখ হাসিনার আমলে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনেক সাংবাদিক ১০, ২০, এমনকি ৫০ লাখ টাকা চিকিৎসা সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু বিভুরঞ্জনের ভাগ্যে জোটেনি কিছুই। সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা আজ ওয়াশিংটনে মোটা বেতনের চাকরিতে, ইকবাল সোবহানদের হাতে বিপুল অর্থ, অথচ বিভুরঞ্জন সরকারের জীবন চলছিল না। বিভুরঞ্জন সরকার চেষ্টা করেছেন বারবার, কিন্তু সহযোগিতা পাননি।
আজকের মিডিয়া হাউসগুলো শিল্পপতিদের হাতে বন্দি। তারা সরকারের সাথে তাল মিলিয়ে চলে। সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আর খবরে আসে না। ৪২টি টেলিভিশন চ্যানেল আছে দেশে, কিন্তু কোনোটিই জনগণের পাশে দাঁড়ায় না। ছাপার কাগজগুলোও একই রকম। এক ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এসেছিল আরেক ফ্যাসিস্ট শাসন, আগের চেয়ে পাঁচ গুণ ভয়ঙ্কর।
আমার প্রিয় সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার আর নেই। মিডিয়া পাড়ায় আজ শোকের ছায়া। শত শত সাংবাদিক দেশ ছেড়ে পালাতে পেরেছেন, কিন্তু তিনি পারেননি। বয়স, অর্থকষ্ট আর সামাজিক বৈষম্যের কারণে জীবনের শেষপ্রান্তে এসে তিনি খুঁজে নিলেন চিরশান্তির আশ্রয়।
একসময় আমরা শুনতাম, সাগর-রুনিকে সরকার হত্যা করেছে। পরে অপপ্রচার চালিয়ে বলা হলো, তাদের মৃত্যু নাকি ব্যক্তিগত জীবনের কারণে। বছর ঘুরে বছর গেছে, সত্য আড়ালেই রয়ে গেছে। অথচ তাদের মেয়েকে গতকাল সরকার প্লট দিয়েছে, সব হিসাবই গোলমেলে। এদিকে, মনির হায়দারের মতো সেকেন্ড-গ্রেড সাংবাদিক হয়ে গেছেন সিনিয়র সচিব, কেউ বা রাষ্ট্রদূত। দালালদের জয়জয়কার এই অপয়া সমাজে।
আর বিভুরঞ্জন সরকার? তিনি চূড়ান্ত অপমান, দুঃখ আর অভিমানের কাছে হার মানলেন। পানির নিচেই হয়তো পেলেন সেই শান্তি, যা মাটির পৃথিবী তাঁকে দিতে পারেনি।
লেখক :
সাংবাদিক ও  কলামিস্ট 
ফ্লোরিডা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
স্বপ্ন সোসাইটি হবিগঞ্জের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

স্বপ্ন সোসাইটি হবিগঞ্জের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত